বাংলা সংবাদ মাধ্যম

বায়রা নির্বাচন বন্ধের প্রতিবাদ ও বায়রা প্রশাসকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

রিপোর্টঃকাইয়ুম হোসেনঃ বায়রা (বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিস)–এর স্থগিত নির্বাচনকে ঘিরে সৃষ্ট সংকট ও বিতর্কের প্রতিবাদে এবং প্রশাসক মো. আশরাফ হোসেনের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বায়রার সাধারণ সদস্যরা। বুধবার রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত বায়রা কার্যালয়ের সামনে  আয়োজিত মানববন্ধনে শতাধিক সদস্য অংশ নেন।

মানববন্ধনে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব এম টিপু সুলতান অভিযোগ করেন, প্রশাসকের অনৈতিক ও পক্ষপাতমূলক হস্তক্ষেপের কারণেই বায়রা নির্বাচন ২০২৬–২০২৮ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের আদেশে নির্বাচন স্থগিত হয়। তিনি বলেন, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকার পর ভোটের মাত্র একদিন আগে নির্বাচন স্থগিত হওয়া প্রমাণ করে যে নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিকল্পিতভাবে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে।

 

বক্তারা অভিযোগ করেন, ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়ম, কল্যাণ ফান্ডে বকেয়া থাকা সত্ত্বেও কিছু সদস্যকে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, নির্বাচন বোর্ডের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ব্যালট পেপার মুদ্রণসহ একাধিক সিদ্ধান্ত প্রশাসক এককভাবে চাপিয়ে দিয়েছেন। এতে বায়রার সাধারণ সদস্যদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও অনাস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

মানববন্ধনে আরও বলা হয়, অতীতে বায়রাসহ অধিকাংশ ব্যবসায়িক সংগঠনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও এবারের নির্বাচনে ব্যতিক্রমভাবে বিএমইটি’র একজন কর্মকর্তাকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। শুরু থেকেই এ নিয়োগ নিয়ে নিরপেক্ষতা ও স্বার্থসংঘাতের আশঙ্কা ছিল, যা সাম্প্রতিক ঘটনায় বাস্তবে রূপ নিয়েছে বলে দাবি করেন বক্তারা।

 

মানববন্ধন থেকে বায়রা সদস্যরা অবিলম্বে প্রশাসক মো. আশরাফ হোসেনকে অপসারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একজন নতুন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য প্রশাসক নিয়োগের জোর দাবি জানান। তারা বলেন, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া বায়রার সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুল বারাকাত ভূইয়া, আতিকুর রহমান বিশ্বাস, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন , এম টিপু সুলতান, আনোয়ার হোসেন, মাহফুজুর রহমান, ইএমএস সাগর,আওলাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাহিন,কবির হোসেন সহ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সদস্যরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে বায়রায় গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা যায়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.